সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শপথ নিলাম — কোন ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধুর সাথেও এডাল্ট ফান করবনা

ঠিক কবে নারী ও শিশুদের জন্য আমরা একটা নিরাপদ পৃথিবী দিতে পারব! আমি ঠিক ভালো মানুষ নই। কেউ ভালো বললে একসময় রোমাঞ্চবোধ করতাম, এখন নিজের দিকে তাকাই, ঘৃণা বোধ করি। তবু, নারী ও শিশু এবং সর্বোপরি সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পৃথিবীর প্রতি আমার আগ্রহ ইচ্ছা প্রবল। বিশ্বাস করি, একদিন ঠিক এই পৃথিবীটা বদলে যাবে। সেদিন বেঁচে থাকবনা। কারণ এ সময়টা এখনো অনেক দূরে। এখন মেয়েরাও মেয়েদের টিজ করতে পছন্দ করে। আগে নারীরা লাঞ্চিত হয়। তারপর নারীরা দুর্গ গড়ে তুলে আপনায়। তখন ব্যক্তি নারী নিরাপদ হয়ে উঠে। ব্যক্তি নারী নিরাপদ হয়ে গেলে শিশুদের প্রতিই আক্রমণটা ঘটে যায়। প্রত্যেকটা ছোট ছোট হ্যাংলামো, মজা, কৌতুক - একদিন নিরাপদ নিরালায় ওড়না টানাটানি তে গড়ায়। আর সুযোগ মিললে - এনজয় উইদ কনসেন্ট; এই কনসেন্ট বা সম্মতি কি সত্যিই পরিপূর্ণ সম্মতি? আমার ত্ মনে হয়না। আর সুযোগ না মিললে - হোটেল, গণিকালয়। তাও না মিললে ধর্ষণ, চাইল্ড এবিউজ। আজকের দিনে একটা শপথ নিলাম — কোন ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধুর সাথেও এডাল্ট ফান করবনা। এমন স্রোতে গা ভাসালে একদিন আমার মেয়েকে, স্ত্রীকে, প্রেমিকাকেও চোখের জলে বিদায় বলতে হবে।

নির্বাচন পরবর্তী বিবৃতি — জয়তু অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান

নব্য নির্বাচনী ট্রেন্ডের কাছে জয় পরাজয় কিছুই নয় পরিচ্ছন বিশেষণের কাছে। রাজনীতিবিদ হিসেবে - সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে জনগণকে নিজের কাছে টেনে নেয়ায় যে জয় লিখিত হয়! জনসম্মুখে প্রবল উচ্ছ্বাসে একজন ভোটারের পুরুষালি বক্তব্য — ভোট টা আপনাকেই দিয়েছি ' তে যে জয় লিখিত হয়! আমি সেই জয়ের কথা বলেছি একাত্তরে সেই জয়ের কথা বলছি আজ দু'হাজার'ঊনিশে; সব শব হয়ে যাওয়ার গল্প জেনেও আমি বলছি জয় বাংলা - জয় বাংলা - জয় বাংলা জয়তু অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান।।