৩০ জুলাই সিদ্ধান্ত আসে মার্চ ফর জাস্টিসের। কোটা মুভমেন্টের শুরুতে স্মারকলিপির অভিজ্ঞতা দিয়ে আমি বলি যে ছাত্রদের কোর্টের গেটে আটকে দেয়া হবে। ছাত্ররা যাতে সিঙ্গেল সিঙ্গেল কোর্টের ভেতর চলে আসে। কোর্টে ডুকার ৩ টা পথ আছে, সেগুলো নিয়ে ডিটেলস বললাম। ভার্সিটির এলামনাইগুলারে কাজে লাগাতে বলি। বিস্তারিত প্ল্যান দিই। ঈশা মুনতাসির রাফি ছোটবোন আনিকাসহ আমার পরিচিতরা যখন কোর্টের ভেতর চলে আসে তখন একসাথে এদের কোথাও রাখাটা ঝামেলা তৈরী করবে বুঝতেছিলাম। কিন্তু একটা কনফিডেন্স ছিল কোর্টের ভেতর থেকে কাউকে গ্রেফতার করার কাস্টম নাই, আইন নাই দেখে। সবাইকে নিয়ে গেলাম **** মামার দোকানের দিকে। ওখানে এর আগেও আন্দোলন চলাকালে অনেকে কোর্টে এসে আমার সাথে দেখা করে গেছে। রাফি ঈশাদের নিয়মিত যাতায়াত হয়ে গেছিল। কেউ কেউ ঈশাকে আমার সাথে বিড়ি খেতে দেখে ভেবেছে আরেক ফানি বিষয়। ঐ সময়ে জায়গাটা আমার আস্থার ছিল বলা যায়। সকাল ১০ টা বেজে গেছে। বিভিন্ন স্টুডেন্টকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কোর্টের ভেতর দেখা যাচ্ছিলো। তাদের কজন এসে আমাদের সাথে যুক্ত হয়। সেখানেই ফাতেমা খানম লিজা, বিএনপিকর্মী আনিকা সহ আরো মেয়েরা যুক্ত হয়।। ছোটবোন আনিকা ওর...
কবি - রাজনৈতিক কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী