সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

প্রেমের কবিতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নার্সিসিজম

আত্মমৈথুনে আমি বাড়িয়ে ফেলি বিষাদ যাতনা; আমি যাই ষোড়শী প্রেমিকার কাছে ভুলে যেতে পৃথিবী ও ঈশ্বর! সে আমারে চুমু দিয়া ফেরত পাঠায় আবারও পৃথিবী এক বিজন দ্বীপ। আমার যাওয়া উচিত ছিলো সাগরের কাছে তার ঢেউয়ের কাছে আমাকে করা সমর্পন! অথবা যুবতী নারীর চোখে চোখ ফেলার বলার দরকার ছিলো আসুন ভুলে যাই; এই ফাঁকে আমি ভুলে যেতাম গত জীবন। আমার আর ভুলা হয়না কিছু না যাইতে পারি সাগড় পাড় না খুলতে পারি যুবতীর দ্বার! আটকে গেছি ষোড়শীর দেবী দেবী চোখে। প্রথম দু্র্গা দেখেছিলাম বারো বয়সে টানা টানা গোল চোখে সবাই তার সন্তান! নাচিচে ঈশ্বর নাচিচে মানব সন্তান ; ফাঁকে পরে আমি বিধর্মী আটকে যাই। সেই যে দেবী বিদায় দিয়েছিল! বিসর্জন উৎসবে, সাথে ফিরার ও কথা; ভয়ে আমার হিন্দুপাড়া পা মাড়ানো হয়নি; তবে আটকে গেছি ঈশ্বরী কন্যার চোখে আর ছাড়াছাড়ির মতো অবান্তর কিছু হয়না বেচারা আমি আটকে গেছি খালি পায়ে; খালি পায়ে — ও চোখ জোড়া মাড়ায়ে যাওয়ার সাহসও নেই আমার। আমি আবার ফিরে আসি আত্মমৈথুনে; লিখতে থাকি দু থেকে একুশ দুটো সংখ্যার পরে সবই শূন্যতা।।

কথা না হওয়ার কথা

আমাদের কথা হওয়ার কথা ছিলো সিগারেট শেয়ার না করলেও, আমাদের চা খাওয়ার কথা ছিলোে আধ খাওয়া চা গিলে না নিলেও, কথা ছিলো তোমার পায়ের কাছে গড়ে উঠবে মন্দির আর আমি প্রেমিক হতে পারি বা না পারি সস্তা পূজারী হব অন্তত।   এমন কথা মানুুষের থাকেই; মানুষ মূলত উন্নত স্তনের পূজা করে বেড়ালেও হাতে চাই কুমারী স্তন অথবা কিছুটা সুডৈাল; এক্সপেক্টেশন রেখোনা পুরুষ মূলত পার্ভাট; আর তাই আমার ইচ্ছে ছিল ব্রণমুখী আমি বিষন্নতায় কাঁপতে কাঁপতে  তোমার কাছে খুঁজে নিব হারানো শৈশব; অথচ তুমি চলে যাবার পর মনে হলো আমি কিছুটা পার্ভাট হলে মন্দ হতোনা এই শহরের কোনো এক ডার্ক রেস্টুরেন্টে  অন্তত আলো খুঁজে পেত প্রেম, মাঝ দুপুরে ‍কোনো এক গলির রিকশায় ভীষণ ক্ষুধার্ত হয়া উঠতাম। এরপর থেকে তোমাকে  আমার ভীষণ বাচ্ছা মনে হয়; কিছুটা বড়সড় হইলে তোমারে হয়ত আমার প্রেমিকা মনে হতো অথবা ব্যস্তদুপুরের ক্লান্তি ভ্রম; অন্তত তোমার পায়ে মন্দির দ্যাখতাম না।