আত্মমৈথুনে আমি বাড়িয়ে ফেলি বিষাদ যাতনা; আমি যাই ষোড়শী প্রেমিকার কাছে ভুলে যেতে পৃথিবী ও ঈশ্বর! সে আমারে চুমু দিয়া ফেরত পাঠায় আবারও পৃথিবী এক বিজন দ্বীপ। আমার যাওয়া উচিত ছিলো সাগরের কাছে তার ঢেউয়ের কাছে আমাকে করা সমর্পন! অথবা যুবতী নারীর চোখে চোখ ফেলার বলার দরকার ছিলো আসুন ভুলে যাই; এই ফাঁকে আমি ভুলে যেতাম গত জীবন। আমার আর ভুলা হয়না কিছু না যাইতে পারি সাগড় পাড় না খুলতে পারি যুবতীর দ্বার! আটকে গেছি ষোড়শীর দেবী দেবী চোখে। প্রথম দু্র্গা দেখেছিলাম বারো বয়সে টানা টানা গোল চোখে সবাই তার সন্তান! নাচিচে ঈশ্বর নাচিচে মানব সন্তান ; ফাঁকে পরে আমি বিধর্মী আটকে যাই। সেই যে দেবী বিদায় দিয়েছিল! বিসর্জন উৎসবে, সাথে ফিরার ও কথা; ভয়ে আমার হিন্দুপাড়া পা মাড়ানো হয়নি; তবে আটকে গেছি ঈশ্বরী কন্যার চোখে আর ছাড়াছাড়ির মতো অবান্তর কিছু হয়না বেচারা আমি আটকে গেছি খালি পায়ে; খালি পায়ে — ও চোখ জোড়া মাড়ায়ে যাওয়ার সাহসও নেই আমার। আমি আবার ফিরে আসি আত্মমৈথুনে; লিখতে থাকি দু থেকে একুশ দুটো সংখ্যার পরে সবই শূন্যতা।।
কবি - রাজনৈতিক কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী