সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শরীফ ওসমান হাদী ও আমার টাইমলাইন



গতকাল তফসিল ঘোষণার পর ছাত্রলীগ ঢাকায় মশাল মিছিল করেছে।
আজ হাদীকে গু/ লি করা হলো।
আপনার আমার লাসের উপর দিয়ে, অনিরাপদ পরিস্থিতি পুঁজি করে সাদিক কায়েমরা অভ্যুত্থান করবে। আলহামদুলিল্লাহ
হাদীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এবং গুলি করে
হ/ত্যাচেষ্টায় যুক্ত সকলকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানাই।


আমি-আপনি-আমরা...

ওসমান হাদীর উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম।
হাদী বেঁচে উঠুক
ঢাকা মেডিকেলের অপারেশন থিয়েটারের সামনের অবস্থা। অপারেশন সাকসেকফুল বলা হচ্ছে। ওসমান হাদী বেঁচে উঠুক।
No insights to show



আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অর্থনীতি ধ্বংসের বদলে Utilize করার চিন্তা করা রাজনৈতিক শক্তিগুলো ধ্বংস হবে। Mind it
ঢাকা-নীলফামারী— Who is Next?
জামায়াতের রাজনীতিটা পরিষ্কার হচ্ছে। বিএনপির এমপি প্রার্থীদের হাতে মুখে জোর করে হলেও 'নির্বাচনকালীন সময়ের'ই খু/নের কলঙ্ক না লাগিয়ে ছাড়বে না।
জুলাইয়ে কলকতার বামপন্থী ছাত্ররা স্লোগান দিয়েছিলো, "শেখ হাসিনার অনেক গুণ, পুলিশ দিয়ে করছে খু/ন।"
জামায়াতও এরকম স্লোগান দেয়া শুরু করবে। সত্য মিথ্যা, তদন্ত, বিচার আচার দরকার নাই। অনেকরকম ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সবচে সেফ & ডাকসুতে পরীক্ষীত ও সফল ইঞ্জিনিয়ারিং ত এটাই।
ইন্টারেস্টিং হলো হাদী প্রেমিক জামায়াতপন্থী তরুণেরা— হাদী গুলি খাওয়ার পর সাদিক কায়েমের অভ্যুত্থানের ডাক,
★ মির্জা আব্বাসের ক্যাডার খু/ন করছে এমন রিউমার ছড়ায় দেয়া বিভিন্ন ফটোকার্ডে,
★ হসপিটালে মির্জা আব্বাসের সাথে অসংলগ্ন আচরণ (ভুয়া ভুয়া স্লোগান) — ছাত্রদলের গায়ে পরে ঝামেলা করার চেষ্টা,
★ মেডিকেল শিক্ষার্থীর ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে ঝুমার অসংলগ্নতা মিনিমাইজ করার চেষ্টা,
★ প্রথম আলোর হেডিং নিয়া গোএষণা
এবং
★ এডভোকেট কায়সার কামালের চরিত্র হনন। (চলমান)
কিন্তু এই একজন তরুণও (যাদের আমি দেখতেছি আরকি) গুলিকারীকে ও মাস্টারমাইন্ডদের গ্রেফতারের বিষয়ে কথা বলতে দেখতেছিনা। যেন এটা জরুরি না। জরুরি হচ্ছে, মির্জা আব্বাসকে শূলে চড়ানো।
আর বুড়োদের দায়িত্বহীন আচরণই হাদীদের মৃত্যুশয্যায় থাকার অপশক্তি। হাদীর খু/নিদের আগে গ্রেফতার করুন ড. ইউনূস সাহেব...
প্রত্যেকটা ডানপন্থীর আইডি ঘুরে দেখেন— এরা হাদির উপর হামলার পর থেকে মির্জা আব্বাসকে দিয়ে শুরু করে শুধু এঁরে ওঁরে আক্রমণ করে যাচ্ছে। ন্যারেটিভ সোদাচ্ছে। এর ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সবাইরে বন্দুকের তলে ফালায়ে রাখতে চায়। এরা চায় ওঁরা ছাড়া এদেশে কেউ থাকবে না।।


সবাই সব কিছু জানে ও বোঝে। কিন্তু গোষ্ঠী পলিটিক্স— Khuni দের ভারত পালায়ে যাইতে দেয়। এটাই সত্য


গতকাল থেকে অনুভব করলাম— রাস্তার মোড়ে মোড়ে বইন থাকার চে ঝুমার মতন একটা বইন থাকলেই চলে। শুধু এই কারণে ঝুমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
আপনার দরদের উছিলায় হলেও হাদী সুস্থ হয়ে উঠুক।
বাংলাদেশে ফ্যাসিজম নরমালাইজ করা হচ্ছে। আওয়ামীলীগকে ফিরাতে পারে Only এই একটা কাজের মাধ্যমেই। ধন্যবাদ


শরীফ ওসমান হাদী— গুলিবিদ্ধ হওয়ার দায় সুশীলতার না। এ দায় ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চটকদারিতে যারা ডুবে ছিলো তাদের।
বাংলাদেশে মার্কিন-ইন্ডিয়ান ইনভেস্টমেন্ট এখন কোথায় হচ্ছে? তরুণরা ভাবেন। কোন নেতা কি বলে খেয়াল রাখেন


হাদী ভাই— আপনি আপনার জবান নিয়া ফিরেন। আপনি না ফিরলে এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যথেষ্ট ক্ষতি হয়া যাবে বলে আশঙ্কা করি।
আপনার হ/ত্যা চেষ্টা-কারীদের কোন কূল কিনারা এ রাষ্ট্র আমাদের দিতে পারবে না ও দিবে না, এটা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত। আর আপনারে নিয়া কনসার্ন দেখানো মানুষগুলা মনে হয়না আপনারে রিড করতে পারছে ও পারবে। কিন্তু যা করার, যা ফাঁয়দা তোলার তা ঠিকই তুইলা ফেলবে। কিছুক্ষেত্রে তুলেও ফেলছে।
কবিরা রাজনীতিতে আসলে যা হয়— আপনি সম্ভবত সেটাই। আপনার সাথে অনেক কিছুতেই দ্বিমত অপছন্দ ইত্যাদি ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু প্রতিবাদের এই জবান টার বিষয়ে একমত। খানকিরপোলারে ভদ্রলোক বলব না, বলতে পারবনা।
আর আপবি এই জবানটা নিয়া ফিরবেন— এই মূহুর্তে এটাই একান্ত চাওয়া।
মিরাকল ঘটুক।।


এই ভারতের দালালরা যখন ওসমান হাদী জন্য কথা বলে তখন সেটা ভয়ের। এরা ভারতকে বাংলাদেশের মাটিতে সামরিকভাবে টেনে আনতে চায়। মাহমুদুর রহমান যদি কারো কাছে বাপও হয়, তারে বলব, তোমার আব্বা ভারতের দালাল


আমরা যারা তরুণ তাদের দৃষ্টিসীমায় এত এত বাউন্ডারি দেয়া হইতেছে, চোখগুলার দুদিন পর কোন কাজ থাকবে না। তাই সতর্ক করে বলি— ভাইয়েরা আমার নিজের দিকে তাকান। আপনি একদিন প্রবীণ হবেন, যা অনিবার্য। কিন্তু প্রাজ্ঞ হবেন কিনা সেটা অনিবার্য না, আপনার নিজের কর্মের উপর নির্ভর করে। তরুণরা র/ক্ত ঝড়ায় কথা সত্য। কিন্তু একটা অঞ্চলে যথেষ্ট অভিজ্ঞ যুবক ও প্রাজ্ঞ প্রবীণ না থাকলে তরুণদের রক্ত বৃথা যেতে বাধ্য। ঐক্যবদ্ধ হোন। একইসাথে নিজেরে চাষ করেন। বীজ সংরক্ষণ না করে বপনের আশা, বপন না করে ফসলের আশা কইরেন না।
জুলাইয়ে যেই খড়ায় তপ্ত অনুর্বর জমিকে রক্ত দিয়া উর্বর করছেন, সেটারে আবার খড়াপীড়িত কইরা তুইলেন না। ধৈর্য্য, শ্রম, আন্তরিকতা, বিশ্বাস ও জওয়ানি reclaim করেন।।

Minhaj Uddin
ওসমান হাদী শহীদ হইলেন, ভাই
  • Reply
  • Hide
সাইফুর রূদ্র
Minhaj Uddin এক জায়গায় যেতে যেতে এ পোস্টটা লিখলাম!!!
ইন্না-লিল্লাহ..........
এ মূহুর্তে কী বলব! ভাষা নাই কিছু বলার। বিপ্লব উদ্যান যাইতেছি৷ কেউ বেরুলে আসেন


২ নং গেট _ স্ট্যান্ড বাই

২ নং গেটে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে মাহফিলে আসা অনেকগুলা বাস আটকে আছে। আমরা ছেড়ে দিতে চাইলাম। কিছু লোক এসে ঝামেলা করে যেতে দিলোনা৷ পরিচয় জিজ্ঞেস করলাম, বলল— হাদীর সমর্থক। যতগুলো বিক্ষুব্ধ জনতার গ্রুপ আছে, প্রত্যেক গ্রুপে এরকম লোকজন বসে আছে। এদের ইনটেনশন থেকে নিজেদের মুক্ত রাখার চেষ্টা করেন। ধন্যবাদ।।
চিন্তার পদ্ধতি না বদলালে — মুক্তি নাই।
রাজনীতি মানে চিন্তা।
এবং চিন্তাই রাজনীতিতে শেষ কথা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে আমরা বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন গভীরভাবে শোকাহত!
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এ হত্যার দায় নিতে হবে এবং অবিলম্বে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের বিচার করতে হবে।


দুনিয়াটা কারবালার ময়দান ব্যতীত আর কিছুই নয়।
একদিকে রক্তপিপাসু জালেম। অন্যদিকে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে রক্ত দিতে প্রস্তুত জনতার লড়াই।।
দুনিয়ার ইতিহাস, কারবালার ইতিহাসের শিক্ষা— যারা লড়বে, তাদের রক্তও দিতে হবে। রক্ত দিতে যারা ঢরায় তারা জালেমের সাইড বেছে নেয়।
আর রক্ত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আজকে যারা রক্ত নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে— আমি তাদের এই বয়ানটা এভাবেই রিড করলাম। ওসমান এর লা(শ) এর উপর দাঁড়ায়ে ওঁরা যে নিজেদের জালেম চরিত্রের স্বীকৃতি দিলো— এটাই আল্লাহর পক্ষ থেকে ফয়সালা...
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ — সকাল ৭ টা — অলঙ্কার মোড়
ওসমান হাদীর মৃতপ্রায় শরীরের প্রতি সম্মান রেখে অনেক প্রশ্ন করা যায়নাই। আর কোন প্রশ্ন করবারও দরকার নাই। সবাই উত্তর পেয়ে গেছে
ওসমান হাদীর হ/ত্যা/কারীদের জাহান্নাম থেকে হলেও সামনে এনে, এ ঘটনায় যুক্ত প্রত্যেকের মুখোশ উন্মোচন ও বিচার করা হলো ১ম এবং সবচে জরুরি কাজ। প্লিজ ফোকাস অন ইট


শরীফ ওসমান হাদী।

ইনকিলাব মঞ্চ এর মুখপাত্র। প্রতিষ্ঠাতা।

ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে জুলাইকে ধারণকারী একজন তরুণ তুর্কী। এক কাপুরোষোচিত নৃশংস হত্যাচেষ্টায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলেন। 

কি লিখলাম টাইমলাইনে, কি প্রতিক্রিয়া জানালাম, তা আর্কাইভ করে রাখলাম।


ওসমান হাদী’র চিন্তা, ধ্যান, ধারণা ও জার্নি রাইট উইংয়ের লোকেরাই ধরতে পারলেন না, পড়তে পারলেন না। তাঁর মৃত্যুকে পুঁজি করে হলো রাজনৈতিক শয়তানি। হত্যার বিচারকে মূখ্য রেখে তাই অনেক ঘটনাচিহ্ন আমার টাইমলাইনে নাই। 


ওসমান হাদী ইনসাফের কথা বলেছেন, শত্রæর জন্যও ইনসাফ দাবি করেছেন। হত্যার শিকার হলে বিচার দাবি করেছেন। ইনসাফের এ লড়াইয়ে তিনি খুব পরিষ্কারভাবে নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। যেখানে, ভারতীয় আধিপত্যের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিপক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে চেয়েছেন। বাংলাদেশপন্থার কন্ঠস্বর প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। 


যথেষ্ট ভিন্নমত, মতপার্থক্য, রাজনৈতিক আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও তরুণরা ওসমান হাদীকে রিড করবে, বুঝা জানার চেষ্টা করবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।


আমি জানিনা, বিচার পাবো কিনা! 


হাদী একজন শিশুর পিতা। হাদীর শিশু সন্তান যে বয়সে তার পিতাকে হারালেন, আমি সে একই বয়সে আমার মা-কে হারিয়েছি। আল্লাহ ওসমান হাদীর সন্তান ও পরিবারকে যেন পিতা হত্যার বিচার পাইয়ে দেন। তাদের জীবনকে সহজ করেন।।


সাইফুর রূদ্র

কবি ও রাজনৈতিক কর্মী

সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, চট্টগ্রাম নগর।

২০/১২/২০২৫ - ১২.৫৪ টা।





 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জুলাইয়ের চে-ময়ী জার্নির এ কেমন পরিণতি!

জুলাইয়ে দল-মত নির্বেশেষে ছাত্র-তরুণদের যে ঐক্য সংঘটিত হয়েছিল, সেই ঐক্য কোন অংক কষে হয়নি। ঐক্য প্রসঙ্গে বদরুদ্দীন উমর বলছিলেন, লড়াই করতে করতে ঐক্য হয়। ফলে— তরুণদের মধ্যে সংগঠিত ঐক্যে চে'র  ' Motherland or Death ’  থেকে কল্পনা চাকমা’র   " Everything that is experimented on the Hills, will be implemented on the plain lands "   প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠে। এই প্রাসঙ্গিকতা সহজত ভাবেই বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীর আগামীদিনের জন্য বিপদজনক। দেশের ছাত্র-তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, সহ-নাগরিকদের প্রতি সহমর্মী-সমব্যাথী হয়; জন্মভূমি প্রশ্নে আপোষের বদলে সংগ্রাম, প্রয়োজনে মৃত্যুকে বাছাই করতে দ্বিধা না করে— দেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বেগম পাড়া, ব্যাংক পাড়া কী ভাবে সম্ভব হবে? ভারত/ আমেরিকার তাবেদারি করে কিভাবে একের পর এক দেশ বিরোধী চুক্তি সম্পাদিত হবে? কিভাবে ক্ষমতায় থাকার শেকড় পোক্ত করতে দেশ বিদেশে যা তা সম্ভব হবে! কিভাবে বাজার সিন্ডিকেট রেখে জনজীবন নাস্তানাবুদ করে ফেলা যাবে! ফলে এই ঐক্য ভেঙ্গে দিতে হবে, এই যুদ্ধংদেহী তরুণদের সমস্ত স্বপ্ন আকাঙ্খা ভেঙ্গেচুরে ফেলতে হবে। তাতেও ঝামেলা আছে। লড়াইয়ের ধর...

এনে দিবো অপার স্বাধীনতা

অনেক প্রতিশ্রুতি পাওয়া জীবনে রয়েছে বেখাপ্পা ছেনাল ছাগলের ভীষণ যন্ত্রণা, ছাগলে খাওয়া গাছের আগা নাকি আর বাড়েনা! প্রতিশ্রুতিগুলাও তাই ছাগলের মুখেই শেষ, আমি তাই আর বিশ্বাস করিনা আমি তাই আর কতৃপক্ষে বিচার চাইনা আমি তাই আর ঘুমাতে পারিনা। গত সব শব প্রতিশ্রুতির ভঙ্গুরতা আমাকে ঘুমাতে দেয়নি! এই ভেবোনা; আমার বরং ঘুম হয়নি একটা পথের খোঁজে। একটা পথ খুঁজছি আমি, যে পথে হেঁটে গেলে কবিতার কিতাব হাতে চোখে লাল রঙের চশমায় পায়ে গত বর্ষায় টিকে যাওয়া আধছেঁড়া স্যান্ডেলে মৌন কোনো মিছিল সমেত, অথবা কবিতার গুঞ্জন কন্ঠে... আমি তুমি আমরা সবাই! খুঁজে পাবো স্বস্তি খুঁজে পাবো রাত ঘুম ফিরে পাবো দুপুরের ভাত ঘুম আর অপার স্বাধীনতা। মোরগডাকা ভোর শুনতে পাবো আবারো আরো একবার এই নগরীর প্রত্যেকটা স্বার্থপর দেয়াল খসে গিয়ে!! সেইরকম একটি পথের খোঁজে আমি ঘুমাতে পারিনি। আমার লাল চউখে ভয় পেয়োনা প্রিয়তমা এই চউখ তোমাকে এনে দিতে চায় অপার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চায় কথা বলার মত প্রকাশের অধিকার; দ্যাখো একদিন তোমারে মাঝ রাতের ঘুমে রেখে নির্ঘুম আমি — হেঁটে হেঁটে চলে যাবো বহুদূর তারপর সমস্ত হাঁটা পথ শেষে বিজয়ী আমি তোমাকে শুনাতে গল্পকথা আবার ফিরে...