সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শপথ নিলাম — কোন ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধুর সাথেও এডাল্ট ফান করবনা

ঠিক কবে নারী ও শিশুদের জন্য আমরা একটা নিরাপদ পৃথিবী দিতে পারব! আমি ঠিক ভালো মানুষ নই। কেউ ভালো বললে একসময় রোমাঞ্চবোধ করতাম, এখন নিজের দিকে তাকাই, ঘৃণা বোধ করি। তবু, নারী ও শিশু এবং সর্বোপরি সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পৃথিবীর প্রতি আমার আগ্রহ ইচ্ছা প্রবল। বিশ্বাস করি, একদিন ঠিক এই পৃথিবীটা বদলে যাবে। সেদিন বেঁচে থাকবনা। কারণ এ সময়টা এখনো অনেক দূরে। এখন মেয়েরাও মেয়েদের টিজ করতে পছন্দ করে। আগে নারীরা লাঞ্চিত হয়। তারপর নারীরা দুর্গ গড়ে তুলে আপনায়। তখন ব্যক্তি নারী নিরাপদ হয়ে উঠে। ব্যক্তি নারী নিরাপদ হয়ে গেলে শিশুদের প্রতিই আক্রমণটা ঘটে যায়। প্রত্যেকটা ছোট ছোট হ্যাংলামো, মজা, কৌতুক - একদিন নিরাপদ নিরালায় ওড়না টানাটানি তে গড়ায়। আর সুযোগ মিললে - এনজয় উইদ কনসেন্ট; এই কনসেন্ট বা সম্মতি কি সত্যিই পরিপূর্ণ সম্মতি? আমার ত্ মনে হয়না। আর সুযোগ না মিললে - হোটেল, গণিকালয়। তাও না মিললে ধর্ষণ, চাইল্ড এবিউজ। আজকের দিনে একটা শপথ নিলাম — কোন ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধুর সাথেও এডাল্ট ফান করবনা। এমন স্রোতে গা ভাসালে একদিন আমার মেয়েকে, স্ত্রীকে, প্রেমিকাকেও চোখের জলে বিদায় বলতে হবে।

নির্বাচন পরবর্তী বিবৃতি — জয়তু অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান

নব্য নির্বাচনী ট্রেন্ডের কাছে জয় পরাজয় কিছুই নয় পরিচ্ছন বিশেষণের কাছে। রাজনীতিবিদ হিসেবে - সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে জনগণকে নিজের কাছে টেনে নেয়ায় যে জয় লিখিত হয়! জনসম্মুখে প্রবল উচ্ছ্বাসে একজন ভোটারের পুরুষালি বক্তব্য — ভোট টা আপনাকেই দিয়েছি ' তে যে জয় লিখিত হয়! আমি সেই জয়ের কথা বলেছি একাত্তরে সেই জয়ের কথা বলছি আজ দু'হাজার'ঊনিশে; সব শব হয়ে যাওয়ার গল্প জেনেও আমি বলছি জয় বাংলা - জয় বাংলা - জয় বাংলা জয়তু অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান।।

নয় শতাধিক বিরহিত রজনী

তারপর বহুদিন পরে, তোমার সাথে আমার দেখা হবে ভাবনার দেয়াল ছুঁয়ে আমার তোমার সাথে আমার কথা হবে, কোনো এক ডিভোর্সি'র নয়নে। তুমি ডিভোর্সী না হও, লিখে রাখো..... এতটুকু ক্ষত নিয়ে তুমি র...

জলপাই রঙের শকুন ও বাংলাদেশ

রাষ্ট্রীয় বেশ্যাবৃত্তিতে কেউ টের পায়না স্তনে হাত বিদেশী মাফিয়ার বৃন্ত নামক স্পর্শকাতর অংশটুকু খাবলে খাওয়া হয়ে গেলে কালো হাত খুঁজে ফিরে সঙ্গমস্থান। একাত্তরের সময় জুড়ে যেভাবে দ্বিধাবিভক্তির প্রেমগল্পে জন্ম নেওয়া সন্তানদের গাড়িতে দেশের পতাকা এদেশে এখনো রাত নামলে দেখা যায়, এভাবেই একেকটা নারী শরীর দখল হয়ে যায়, দখল হয়ে যায় আমার প্রেমিকা আমার বান্ধবী শেষমেশ আমার বুড়ো মা টাও। অর্গাজমই নাকি শেষ কথা! অথচ প্রেমিকের বুক ঝাঁঝড়া হয়ে গেল মাদকতায়। একটুও কি বুক কাঁপেনা প্রিয় প্রেমিকা একটুও কি বুঝতে পারোনা ওরা ভালোবাসে ধর্ষণ ভালোবাসে রক্ত ভালোবাসে তেল গ্যাস আর বানিজ্যিক অঞ্চল, যখন তুমি আর তুমি থাকবেনা ওরা উড়ে যাবে জলপাই রঙের শকুন হয়ে যেভাবে ওরা আসে……………………………।। সাইফুর রহমান খান চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়নরত

আমরা যাদেরই ভালোবাসি

মানুষ হয়ে যাদের সাথে ঘরের স্বপ্ন ঠিক যারাই বুনেছে পৈশাচিক আনন্দে ফিলিঙ্গসের গল্পে চুন কালি মেখে মনের ঘরে রাণী হয়ে করেছে সবাই ঘরছাড়া; আমিও তাদের সঙ্গী আর তুমি পুরোনো দেব...

আমার প্রেমিক হওয়া হলোনা

আমার  প্রেমিক হওয়া হলোনা , আমি আইনের বইয়ে আইন খুঁজতে খুঁজতে তোমাতেও খুঁজি ফিরি আইন ও অ'আইন। আমার প্রেমিক হওয়া হলোনা, আমি কবিতার বইয়ে কবিতা পড়তে পড়তে তোমারে মিলাই কবিতার সাথে। আমার প্রেমিক হওয়া হলোনা আমি ঘরহীন উদ্ভ্রান্ত উন্মাদ ছন্নছাড়া তোমাতে খুঁজে ফিরি আমার স্বপ্নের কুটির টা। আমার প্রেমিক হওয়া হলোনা ব্যবসায়ী আমি হিসাব কষতে কষতে কতো ভালোবেসে পেলাম কতো ভালোবাসা? আমি হতাশ হয়ে পরি, আমার আইনের বই আমারে চায়না আমার কবিতার বই আমারে চায়না আমার ঘরহীনতায় ও কোনো ঘর হয়না; বাধ্য আমি তোমারে চুমু দিয়ে বসি জানি যে চুমুই একমাত্র বৈধ অনুভূতি, জানি যে আইনের বইয়ে অথবা কবিতার বইয়ে চুমরে খন্ডানো যায়! আইন যেখানে বলবে চুমুটা কোথায় কখন, কবিতার বই বলবে চুমুটা ছিল কত গভীর? আমার প্রেমিক হওয়া হলোনা আমি তোমার পাশে বসে ঘুমিয়ে পরি! অথচ জানি যে অন্তর্বাসে লুকানো তোমার হৃদয় আমি ছুঁয়ে দিতে পারিনা আইন আমারে থামায়।। আমার প্রেমিক হওয়া হলোনা আমি শেষমেশ ব্যবসায়ী হয়েই রইলাম হিসাব কষে কষে প্রতি পদক্ষেপে আমি প্রেম রে লুকায়ে ফেলি নানা ছলে কলে।। ফেব্রুআরি ০৪, ২০১৮ || ১১:৫৯ এম

তোমাকে……

এই যে মনে হয় তোরে আলাদা করতে পারব   শত নারী রমনী  হুরি কল্যানী দেবী নর্তকী   লাল চুল সোনালী চুল সাদা চুল  নীল ফিতা কালো ফিতা  উলঙ্গ সময়েও  — তাতেই মনে হয় এ জন্মে তোরে ভালোবেসেছিলাম।। রাত কত হয়েছে রে তোর শরীর ছুয়ে কেউ আছে কেউ কখনো ছিল কি ছিলনা সেটা নয় ইচ্ছে করছে নিষ্কাম উলঙ্গতায় পিঠাপিঠি শুয়ে থাকি সকাল দেখি স্থলনবিহীন, আমি এখন গলির মাথায় শুধু প্যান্ট গেঞ্জী জড়িয়েই বসে আছি। আর কোন নারী রমনী দেবী নর্তকী পূজারীর কাছে এমন নপুংসক কাটা মুরগি হতে চাইনা এ জন্মে পুরুষ নয় তোর প্রেমিক হয়েই কাটাবো তোর ঈশ্বরে আমার সিজদা ভালো থাকিস ভালোবাসা।। june 09, 2018, 12:39 am ছবি : https://m.huffingtonpost.co.uk/kokil-sharma/women-in-art-art-politics_b_16313504.html