সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নিষেধাজ্ঞা

এখানে ওখানে ক্যানো এতো এতো নিষেধাজ্ঞা! আমাকে বলা হচ্ছে - বেশি মাতোস তুই, আমি থমকে যাই ওদের ঔদ্ধত্যতা দেখে বলতে পারিনা - তুই কে রে - আঙ্গুল নামিয়ে বলুন, আমি বলায় কওয়ায় খুব বিশ্বাসী। পরিকল্পিত ঘরের ভেতর ঘর মানুষের ঘরে ঘরে শুয়োরের খোয়াড় আমার প্রিয় প্রেমিকা ও জননী খুব যতনে সুর তুলে দ্বিপাক্ষিক বিবৃতির! অথোচ আমার জননী চাইলেই বহুদিনের ইচ্ছা আমার একটা ঘর - একটা সুখী ও পূর্ণ পরিবার, পূর্ণ হয়। আমার একপাশে আমার জননী অন্যপাশে আমার প্রেমিকা — দাঁড়ালেই আমি হয়ে উঠি শ্রেষ্ঠ শক্তিধর, আমার বুক পকেটে লুকায়ে রাখা কলমের কালিতে আমি লিখে দিতে পারি সব সত্য মিথ্যে আমি এক দীর্ঘ চুক্তি করে দিতে পারি শান্তির। - এসব নিষেধাজ্ঞা আমাকে এড়িয়ে যেতে হবেই আমাকে প্রেমিকার ঠোঁটে চুমু এঁকে চুমু খেতে হবে মায়ের চরণে, আমাকে বলতেই হবে — ঘরের ভেতর যারা ঘর করে তাদের বয়কট করুন, আমার জননী ও প্রেমিকার মাঝেকার তৃতীয় পক্ষের সমাপ্তি ঘটান।।

বাংলাদেশ সংবিধান একটি রাষ্ট্রীয় কৌতুক বই

তোমরা এখনো স্লোগান দাও! মিছিল করো উল্লাসে!! অথচ বুলেটে ছারখার আমার বাবার বুক আমার মায়ের লাল শাড়ী নিমিষেই ফিকে, তোমার কি যায় আসে আমার আমাদের আর্তনাদে! তোমার তোমাদের ত্ বালট...

আমি একজন প্রতারক

রাস্তায় দাঁড়ায়ে চেইন খুলেই শিশ্ন বাড়ায়ে মুতা আমি জ্ঞানগর্ভ বক্তব্যে প্রমাণ করি আমি একজন প্রতারক! মাদক বিরোধী যুদ্ধের মোড়কে হত্যায় বাহবা দিই, মনে পরে যায় শেষবার প্রেমি...

ফোঁড়া উঠা সময়

প্রতিনিধিত্ব করছি একটি ফোঁড়া উঠা সময়, এ এমন এক ফোঁড়া প্রেমিকাকেও বলা যায়না সোজা হয়ে কথা বলো তোমার যা মনে কয় তা বলো বিবেকের ছোঁয়ায়, বাম বললে ডানের বিষ বিষ করে উঠে ডান বললে বা...

কথা বলছি দ্যাখো

কথা বলছি দ্যাখো ঘুরছি হাতে হাতে চোখে চোখে এক গভীর চুম্বন বাদ দিয়ে মুখোমুখি আমরা দুজন অদৃশ্য সত্ত্বা! তবু - কথা বলছি দ্যাখো। কথা বলতে বলতে জেনে যাবো সবাই একদিন সত্য'টা অত সুন্দরী নয়, সত্য বলতে যে অস্তিত্ব!                           কাজল মাখেনা সে                           সাদা পাউডারে ঢাকেনা ব্রণ দাগ, সত্য আজন্ম এক পিপাসীনি বারবার সত্য উচ্চারণে সে ছাড়ায়ে নিজেরে পতাকায় পতাকায় তারকা আঁকে শব্দে শব্দে। কথা বলছি দ্যাখো ধুলো পথ মাড়াচ্ছি হাতে হাতে চোখে চোখে তবু কেউ জানবেনা আমরা আমাদর'ই কেউ নই।। . গোলপাহাড়, চট্টগ্রাম ৫:২৭ পম ৩/৩/১৮

শিরোনামহীন

তুমি কি ছিলে? সেটা আসলে বলা সম্ভব না, একটা আকাশ ছিলে হয়তবা। তুমি কি ছিলে আমার... এটা আমায় জিজ্ঞাস করোনা আমি আসলে আমাকেই জানিনা। যে আমি ঘুরতে ঘুরতে ভুলে যাই কথা ভুলে যাই আমার ব...

শিরোনামহীন

ঐ চোখে কি করে তাকাই বল; সিঁদুরে হয়ে গেছো যে রক্তিম মায়াবতী  তোমাতে আমি পাইনা খুঁজে তুমি। কুমার নই বলে কুমারীতে আমার আক্ষেপ নেই নেই বলতে নেই যা থাকার ছিলো তাও; নিষিদ্ধ হয়ে গেছে কি নুপুর পরাও! বইতে অমন বলো কি দেখছো লেখা - ছন্দ - রস - কস - জীবন নাকি এড়িয়ে যাচ্ছো তুমি তোমারে। এ্যাঁই আয় ভুল  করে ভুল করে বসি সিঁদুর মুছে রক্ত রক্ত খেলি খামছিতে তুলে নে আমার প্রেমিক চোখ; ভালোবাসা ভুলে আমি নিজেকেও ভুলি।