রক্তাক্ত আমি'র ভিতর দিয়ে হেঁটে যাও,
ভিতর দিয়ে না পারো ত মাড়িয়ে যাও দু পা'য়,
তা ও যদি না পারো এক দলা থু প্রস্তুত রাখতে পারো;
আমি তোমাদের ভালোবাসি।
আমি থাকিনা ধুঁয়া ও ধোঁয়ার মিলনে
আমি থাকিনা তোমাদের তোমাতে
তবু....
আগ বাড়ায়ে জড়ায়ে ধরি - ভালবাসবার চাই।
আজ যদি আমি আমার ধর্ম ত্যাগ করে বসি
আমি যদি আজ এ বেলায় খুন করে বসি আমারে
আমি যদি আমার খুনির গলায় ব্লেট ধরি;
লিখে দিলাম - তোমরা মুখ ফিরায়ে নিবে।
মেঘেরা সাদা কালো নীল যাই হোক! 'সহোদর'
ঘনঘটায় মিলেমিশে তাদের অক্লান্ত বিচরণ;
তাঁরা নেমে আসে আমাদের ডাকে - আমাদের চোখে।
একদিন
পুরোনো লাঙ্গল কাঁধে তুলে নিয়ে হেঁটে যাব
শতবর্ষী জমিনের শতবর্ষী আইল ধরে
ঘা'ধরা পায়ের ভাজে জোঁকের দিকে তাকায়ে হেসে হেসে
আমি চলে যাব দূর কোনো এক পাড়ায়
নতুন কোনো শস্য চাষের বাহানায়।
লাঙ্গলের ফলায় ধার থাকলে পড়ে!
মেঘ ধোঁয়া কন্যার শরীর বাওয়া যায় ইচ্ছা বৈঠায়,
বল থাকলে ঠেলা যায় মাটির গভীরে কর্ষনার্তে
কে জানি কি সুবাধে কারে জিগাইছিল আজ কি দশমী!
আমিও কাউরে দশমীর কথা জিগায়া হারায়া যাইবো।
মনে করায়ে দিই;
তোমাদের কুমারী বইনের প্রেমে আমি পরতে পরতেও পরিনাই
তোমাদের কাকী চাচী মায়রে আমি সালাম করতে করতেও করিনাই
তোমাদের শরীরে শরীর দিয়া তাকাইতে তাকাইতেও আমি তাকাইনাই;
বন্ধকী চোখ আমার নীতির বিছানায় ঘুমায়ে ছিল কাল অকাল উল্লাসে স্ব'ইচ্ছায়।।
ধর্মের খোলস
নীতির খোলস
সমাজীয় খোলস;
সব ছাইড়া যদি তোমাগো বোনরে বইন কইতে পারি
তেমাগো মায়'রে মা কইতে পারি
তেমাগো শরীরে হেলান দিয়া গন্ধ না শুঁকি;
আমি মইরা যাওয়ার পর পুলিশের গাড়ি আটকায়ো
আমার লাশ ব্যবচ্ছেদ করা আটকায়ো।
আমার কফিনে লিখে দিও 'বিদায় লক্ষ্মীছাড়া''।।
.
২০১৮, জানুয়ারি ০১ - ৭:১০ পম
-
সাইফুর রহমান খান
.
লক্ষ্মীছাড়া - রূদ্র - সূনীল
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন