১.
জানো ত্ তীর্ণ
এই যে শহর তুমি রোজ আপোষ করো
এ শহরে তুমি ভাড়াটিয়া—তাও উৎপাদনীয় নও,
যে বিদ্যাপীঠ তুমি রোজ নিজেরে ছাপাও
এই বিদ্যাপীঠো তোমায় ঠিকই্ তাড়ায়ে দিবে,
স্বল্পক্ষয়ী এ জীবন এমনকি যৌবনও!
এসো 'এ' ধরায় রয়ে যাবে চিরকাল সকল সৌন্দর্য,
লুপে নিয়ে সুযোগটুকু টিকে থাকো।
জানো ত্ তীর্ণ
লুটপাটে ভেসে যাচ্ছে সমস্ত শহর
নাগরিক এ লুটপাটে তুমিও দখল হয়ে যাবে
তাও আবার ভাড়াটে মাস্তানে।
তীর্ণ
এখন — যুদ্ধো মানেই জীবন
টিকে থাকার যুদ্ধে আপোষ করে
হয়ে যেতে হয় শয়তানের বর খেলাপ।
যুদ্ধ যেহেতু করতেই হয় — লুপে নাও সুযোগ।।
(২৭ জুন/২০১৯)
২.
তীর্ণ
তোমারে আমি মেঘ হতে বলি কেন জানো!
দ্যাখো — মেঘ হওয়া সহজ কিছু নয়,
সমস্ত হওয়া অথবা পসেসিভনেসের ভয়াল দিক হইল
আমরা নিজেদের মেরে ফেলা একে অন্যে!
অথচ মেঘ হলে ছুঁয়ে থাকা যায়,
ছুঁয়ে থাকাই ভালোবাসা জেনে রাখো,
যদি কখনো তোমার আমার সত্যিই দেখা বা দ্যাখা হয়ে যায়
অথবা দ্যাখতেই হয়
প্লিজ গ্লাসের আড়ালে একটুকুন মেঘ রেখো
যেন থমকে যাই
যেন উঠে দাঁড়ায়ে চোখ মুখ ধুয়ে আসতে হয়
গায়ে জ্বরেরধাক্কায়,
ভালোবাসতে হলে ছুঁয়ে থাকার মতোন আটকে থাকতেও হয়
আটকে থাকতে ধাক্কার প্রয়োজন হয়
তীব্র কোনো ধাক্কা,
যেন প্রতারিত হয়েও থেমে যেতে হয়
আঁকড়ে ধরার আকুতি নিয়ে চেয়ে থাকতে হয় ঐ মেঘেই,
যেন প্রতারণা করার প্রস্তুতি নেয়ার আগেই ভেঙ্গে যাই
নতজানু হয়ে শুধু প্রেম ই চাইতে হয়।
(২৯জুন/২০১৯)
৩.
তীর্ণ,
ধরো তোমারে রাত সাড়ে চারটায়
ঘুম ভাঙ্গিয়ে বললাম - ভালোবাসি
অথবা মনে পরছে তোমারে
কথা বলো একটু
কিংবা গান শুনাও,
তোমারে কি বলতে হবে - প্লিজ!
নাকি ঘুমন্ত তুমি গান ধরবে
“ঘরভর্তি চান্দের আলো ধরতে গেলে নাই।”
থাক; তীর্ণ — ঘুমাও তুমি্
এমন ইনফর্মাল ভালোবাসা মন চাইলেও দিওনা
আমারে হেঁটে যেতে হবে বাকিটা পথ
স্ববিরোধীতায়
অন্ধকার আর বিষন্নতায়।
মেঘ হয়ে রয়ে যেও তীর্ণ
ধরা দিওনা
সকল আকাশ রাঙ্গিয়ে গেলে
নেশাতুর হবে কারা!!
লাল চোখ কচলায়ে আরো লাল করে
মহাকাল পাড়ি দিয়ে
এ পৃথিবীরে একা একা ভালোবাসার কথা
কবিতা গল্প অথবা কোনো এক গান
কে শুনাবে?
অন্ধকারে রয়ে যাও তীর্ণ।।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন