সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অচীন কোন আকাশ

আগস্ট ১৩/২০১৯

আমার শহর ছেড়ে যাওয়া তুমি
খেয়াল করে দ্যাখছো ত
ক্যামন মুখ ভার আকাশের!

ইচ্ছে খুশিতে ইচ্ছের রঙফুল মেখে
ফিরে এসো হাসিমুখে
ফিরে এসো ভালোবেসে।

এখানকার সমস্ত মেঘ তোমার অপেক্ষায়,
ফিরলে তুমি পরবে ঝড়ে সকল মুক্তামালা
ফিরলে তুমি জোনাক আলোয় সাজবে চারপাশ
ফিরলে তুমি নিশুথি রাত হবে সর্বনাশ।

আগস্ট ১৪/২০১৯


কত রাতে কত রঙের বৃষ্টি নামে
কই এমন স্পর্শ ত পাইনি,
এতটা আকুলতা
এতটা বিরহ কই ছুঁয়ে ত দেয়নি।

অজস্র নিসঙ্গ রাত একা একা হেঁটে গ্যাছি
বৃষ্টিতে ভেজা পথ পায়ে মাড়িয়ে,
কোথাও কোনো খোলা জানালা
অস্তিত্বে রঙ মাখাচ্ছে অথবা বিষাদ
এতশত ভাবিনি।

তুমি পেরিয়ে যাচ্ছ প্রতি ন্যানো সেকেন্ডে
আমার শহর,

যেন সরে যাচ্ছি

ভারী অসাড় হয়ে,
আমার চোখ ঘুমহীন হয়ে তাকিয়ে থাকে
ক্রমাগত বাড়ন্ত দূরত্বে।

আবার কবে আসবে — তবে?

সুখের বৃষ্টি নামবে আমার শহরে,
আমি দূরের কোন প্রত্যন্ত অঞ্চলে
তোমাকে ছুঁয়ে থাকার বাহানায়
খোলা কোনো জানালা পেরিয়ে
তোমারি অন্ধরের অন্দরমহলে।।

১৪/০৮/১৯

ক্রমাগত বাড়ন্ত দূরত্বে ছেয়ে আছি
ঠিকই তুমি সরে যাচ্ছ প্রতিনিয়ত
তবু দ্যাখো
দ্যাখো চোখের বন্ধ দুয়ারে
আমি ঠিক তোমার পাশেই
খোলা জানালা পেরিয়ে
দূরের বৃষ্টিতে মাখছি — আমাদের।।


১৫/০৮/১৯


ভালোবাসো বলেই ভালোবাসি দ্বিগুণ
এখানে পাখিদের সান্ধ্য মিছিল
ভেস্তে গিয়ে শূন্য করে দেয় আকাশের রঙ,
নেমে আসি বারিষণ বিষন্নতার জলফড়িং
আধভেজা মাটির নিকটে পাখিদের কলকাতন
ঝিমিয়ে যায় আবার রাতের বুকে
যেন কেউ নেই কেউ ছিলনা
জীবনের অদ্ভুত এই দ্যোতনায় নৃশংস ছলনায়
হাহাকার ভীষণ শূন্যতা।।

১৬ আগস্ট


পাখি ও মানুষ
.
মানুষের পূর্বজন্মে পাখির খোলস
শেষজন্মে মানুষ শুধুই মানুষ অথবা মিথ্যে ফানুস।

একটা বৃত্তের মধ্যে ডানাহীন উড়াউড়ি
দিনশেষ ঘরে ফেরার আকুতি
উম চায় মানুষের
আদর চায় প্রিয়মুখে আদুরে কথায়
বিশ্রামের গল্পে পাখি চায়
যত্ন চায় পোড়া ডানায়।

মানুষ অতঃপর এই জন্মে
শেষজন্মে মানুষ হয়ে
মানুষের খোলসে
এক একা পাখি।

— ভালোবাসো যখন;
পাখি হও
উড়ে আসো আমার বেদনা ম্লান করো
উম দাও বিষন্নতায়
ছুঁয়ে থাকো আদরে অনাদরে রাগে বিক্ষোভে
লীন হও আমায় — দখলিস্বত্বে।

আসো পাখি হও
পাখি হই দুজনার আকাশে
উড়তে জানিনা জেনেও বিকাল বানাই
ডানা বানাই
উড়ে যাই সীমাহীন পথে
অনন্ত আদিগন্তে।।

১৭ আগস্ট
নেশা
.
নেশা এক অদ্ভুত ঋণাত্মক অনুভূতি। হউক, সেটা সিগারেট, হউক সেটা দূরের কোন আকাশে উড়া পরিচিত এক পাখির ডাক।।

অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া সময়ের অনুপস্থিতে
নেশাতুর আমি শেষমেশ সিগারেট খুঁজি
চারপাশে সবগুলা খালি প্যাকেট
এ্যাশট্রে থেকে উড়ে আসা উটকো গন্ধ,
আমার ভীষণ গায়ে জ্বর
আমি শুয়ে থাকি সারারাত হালকা ফ্যান চালিয়ে
কখনো বাড়িয়ে কখনো কমিয়ে
কোলবালিশে জড়িয়ে ধরি নিজেকে
পেটের শেষ এক পাশের তুমুল ব্যথা সড়াতে,
আমাকে ঘুমাতে দেয়না সারারাত
আমি চটপট করি;
তবু রাতের ঘুমের হিসাবে দো'রেখা পরলে
আমার মনে পরে ঘুমের ঘোরে খোঁজা মুখ
তারপর কষ্ট আরো বাড়ে
চিনচিনে ব্যথা নয়ত অসাড় হয়ে যাওয়া
তন্দ্রাচ্ছন্ন চোখে খুঁজে বেড়ানো
তুমি কই — কই তুমি,
তুমি একটা অস্তিত্বের নাম
তুমি একটা নেশার নাম
তোমাকে নাম দিয়েছি অচীন আকাশ,
আমার ভীষণ জ্বরে পাশ বালিশে খোলা চুল মেলে দিও
অনেক রাত আমি ঘুমাতে পারিনা
আমাকে ঘুমাতে দিও।।

২১/০৮/১৯

পাশ বালিশে
মেলে দিও ভালোবাসা
আমার চোখে ভীষণ ঘুম
আমি ঘুমাবো।। (৩:৪৮ এম)

২৪/০৮/১৯

তোর হাসিমুখ
আমার স্বস্তিবোধ।

তুই হয়ে যা তোর ভীষণ আপন
পায়ে পা চলার পথে
মাড়িয়ে যা সকল অমূলক ক্ষত,
শবদেহের ছাইয়ে ফুঁ দিতে যেয়ে
হইসনা আর কাঙ্গালি,
কথা বলতে বলতে রাণী হয়ে
ভাল থাকা শিখে যা আপন চউখে।।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ গেইট/১৬/১৩/২৪/০৮/১৯

২৬ আগস্ট
বিষন্নতার দেয়ালে লেখা একটি শব্দ অসুখ
তাড়িয়ে দেয়
মাড়িয়ে যায়।।

২৮ আগস্ট
পালিয়ে যাও
ফেলে যেওনা নুপুরোসচিত শব্দ।

১১/০৯/১৯

এই সংসার
ব্যথা লুকাইবার,
এই সংসার
ভালো থাকার ভান করবার।

মেয়ে —
তুই তোর চোখে আলো মাখিস
তুই তোর ঠোঁটে হাসি মাখিস,
মন খারাপে তুই আর কালো হইসনা
অন্ধকারে মানায় না রে
তুই আলো জোছনা,
তোরে আমি দেবী মানি
প্রেমিকা করে চিনি।

অন্ধকারে কেউ সিজদা রাখেনা
ভয় রাখে
অন্ধকারে কেউ ভালোবাসা রাখেনা
ভয় রাখে,
হারাবার ভয় না।।

দেবীদের মরা চোখেও আলো থাকে
দেবীরা পাথুরে চোখেও আলো দেখায়,
অন্ধকার মেখে নিলে বাজে ছোঁয়ায়
হবেনা মেয়ে।।

২১ সেপ্টেম্বর

মোনালিসা'কে আমার অত দেখা হয়নি,
কখনো বোধ করিনি কৌতুহল
অথবা নেশা রঙের কোন ছুঁতো,
জানি যে
এই ক'দিন আগে যার প্রেমে পরে গেলাম
যার প্রতি ভীষণ বিষম প্রেম কাজ করে
ঘুম ভেঙ্গে
যারে ওয়ালপেপার নামক আয়নায় দেখলে
মনে হয় সকাল শুভো,
সেই তুমি শুধুই তুমি
বিজন আমি দ্বীপে একমাত্র অপ্সরী।।

২৩ সেপ্টেম্বর

আমাদের কণ্যাদের আসল নাম
ডাক নাম সমস্ত আদুরে নাম দাম
আমরা ভুলে যাই,
আমরা ভুলে যাই আকিকায় উচ্চারিত
ঈশ্বরের নামে লেখা শব্দগুলো
কুশলে ফিরে আসে একটি শব্দ,
রাজকণ্যা।

আমরা ভুলে যাই সমস্ত রোদ আকাশের,
ভুলে যাই ঘামে ভিজি বলেই
আমরা মানুষের প্রাণজ গন্ধ পাই,
যদিওবা উৎকো গন্ধ!
নেয়া যায়না
ধুয়ে ফেলি দুপুরের গোসলে।

রাজকণ্যা নামে ডাকা কণ্যাশিশুটি বড় হয়,
বৃষ্টি নামে আকাশে,
কুঁকড়ে যেতে যেতে রাজকণ্যা
চোখ মেলে তাকায় আয়নাতে!
আয়নাতে হাসিমুখ কালো টিপ
ভিজতে থাকা শরীরের বেদনা ভুলে যায়
কণ্যাশিশুটি।

নারী হয়ে উঠবার সময়কাল পেরিয়ে
নারী হয়ে উঠে রাজকণ্যা;
তার কেবল ই মনে থাকে
একটা দগদগে শৈশব
আকুতি
কান্না
টেডি বিয়ার
আর কিছু চকলেট।।

রাজকণ্যা ||
রূদ্র || আড়াইতলা সিঁড়িঘর

২৭ সেপ্টেম্বর

আমাকে ভেঙ্গেচুড়ে লীন করে দিতে পারে
এমন কিছুই নেই অচীন আকাশ,
পৃথিবীতে আমি এমন কিছুই খুঁজে পাইনি
যা হয়ে যেতে পারে রাশি রাশি চুলে ছোট্ট ক্লিপ
অথবা চুল বন্ধনী।

একটা জীবন;
ছ সাত বছরের নির্ঘুম ক্লান্তিকর অবসন্নতা
বসে থেকেছি কবরের মতন নিস্তব্ধতায়
রাতের পাহাড়ের মতন শ্মশানপাড়ায়,
কোনো নিঃশ্বাসের মতন ধীর শব্দ অবধি ছিলনা।

আমাকে ভাঙ্গতে পারে এমন কিছু
আমাকে বাঁধতে পারে এমন কিছুই আমি পাইনি,
না কবরের কাছে না পাহাড়ের কাছে
না বদ্ধ ঘর না সমুদ্রের কাছে,
আমি শেষমেশ আমাকে আটকে রাখি একা একেলা রুমে।

তবু জেনে নিও
আমার একমাত্র দূর্বলতা
একমাত্র ভঙ্গুরতা
ভালোবাসা।

আমার চোখে ঘুম নেমে আসে কিশোর বয়সী তরুণীর এলোকেশে
আমার বুকে তুফান উঠে সুনামির তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়
তোমার দীর্ঘশ্বাস আর শ্বাশকষ্টের শব্দে।

মাঝ রাত
ভীষণ ক্লান্তি মেখে তুমি ঘুমিয়ে গ্যাছো অনেক আগেই
আমি চুপচাপ হয়ে থাকি
শব্দ করিনা গুনগুন করিনা পড়ার শব্দ করিনা
আমিও ঘুমিয়ে যাই।

হয়ত মাঝরাতে তোমারো ভাঙ্গে ঘুম
তুমিও খুঁজে ফিরো পাশ বালিশে প্রিয় কোনো মুখ
এখানে ওখানে...
তন্দ্রা নেমে আসা চোখ জেগে উঠলে আমি যেমন খুঁজি
ঘুমের ঘোরেই ডাকি
অথচ একটু আগেই তুমি আমাকে ডাকতে ডাকতে
আবার ঘুমিয়ে গ্যালে।।

২/১০/১৯

আমি রব তোমারো স্মৃতির ধুলো পরা আস্তরের ভাজে
খুঁজে নিয়ো মুছে নিয়ো টেনে ধরো প্রাণের অস্তিত্বে।

দ্যাখো বৃষ্টি নামবেই আকাশ ফুঁড়ে
পরবাস্তব সকল কবিতা দেয়াল হয়ে উঠবে তোমার
চউখের দেয়াল হয়ে উঠবার আগেই ডেকো কিন্তু
বাকি এখনো তোমার আলোজ বেলাজ চোখে হুট চুমু।

আকাশ কখনো হয়না মনের মতোন
এই বৃষ্টি এই রইদ এই কাট্টা বৃষ্টি স্বভাব
বাঁকা চোখে মেঘ মেখোনা

— আকাশ একটি সত্য আয়না।।

৬ নভেম্বর/১৯

দেখা দিয়ে যাবেন - প্রিয়ো
ধিক ধিক করে জ্বলতে থাকা
প্রত্যেকটি অগ্নি বিন্দু
আমাকে ঘুমাতে দেয়নি গতরাত্রি।

প্রচন্ড গায়ে জ্বর আর শরীরি উন্মাদ ব্যথা
পাগল করে ফেলে
তবু চউখ মেলে
আমি আপনাকে খুঁজি;
নিভিয়ে যান - প্রিয়ো।

বিজিসি ক্যাসেল হয়ে যায় হিভেন
আপনার হাসি মুখাবয়ব দর্শনে;
এখানে ওখানে আমার অস্তিত্ব
আপনাকে খুঁজে যাবে খুব করে,
এক নজর দেখা দিয়ে গেলে পাপ হবেনা
পাপ হয়না চউখের দেখায়
পাপ হয়না ভালোবাসায়।

তবু যেতেই যখন হবে!
বিরক্তিমাখা জোড়া চউখ আগলে
একবার হাসিমুখে
দেখা দিয়ে যান।।







মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জুলাইয়ের চে-ময়ী জার্নির এ কেমন পরিণতি!

জুলাইয়ে দল-মত নির্বেশেষে ছাত্র-তরুণদের যে ঐক্য সংঘটিত হয়েছিল, সেই ঐক্য কোন অংক কষে হয়নি। ঐক্য প্রসঙ্গে বদরুদ্দীন উমর বলছিলেন, লড়াই করতে করতে ঐক্য হয়। ফলে— তরুণদের মধ্যে সংগঠিত ঐক্যে চে'র  ' Motherland or Death ’  থেকে কল্পনা চাকমা’র   " Everything that is experimented on the Hills, will be implemented on the plain lands "   প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠে। এই প্রাসঙ্গিকতা সহজত ভাবেই বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীর আগামীদিনের জন্য বিপদজনক। দেশের ছাত্র-তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, সহ-নাগরিকদের প্রতি সহমর্মী-সমব্যাথী হয়; জন্মভূমি প্রশ্নে আপোষের বদলে সংগ্রাম, প্রয়োজনে মৃত্যুকে বাছাই করতে দ্বিধা না করে— দেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বেগম পাড়া, ব্যাংক পাড়া কী ভাবে সম্ভব হবে? ভারত/ আমেরিকার তাবেদারি করে কিভাবে একের পর এক দেশ বিরোধী চুক্তি সম্পাদিত হবে? কিভাবে ক্ষমতায় থাকার শেকড় পোক্ত করতে দেশ বিদেশে যা তা সম্ভব হবে! কিভাবে বাজার সিন্ডিকেট রেখে জনজীবন নাস্তানাবুদ করে ফেলা যাবে! ফলে এই ঐক্য ভেঙ্গে দিতে হবে, এই যুদ্ধংদেহী তরুণদের সমস্ত স্বপ্ন আকাঙ্খা ভেঙ্গেচুরে ফেলতে হবে। তাতেও ঝামেলা আছে। লড়াইয়ের ধর...

শরীফ ওসমান হাদী ও আমার টাইমলাইন

o S d e s p n o r t   7 6 4 l 6 M 3 m e 9   b 8 t m 2 a e a 0 1 9 u : P 5 u 1     3 9 D 5 e h h 1 t f r f 2 c g 1 4 1 m a   · Shared with Only me গতকাল তফসিল ঘোষণার পর ছাত্রলীগ ঢাকায় মশাল মিছিল করেছে। আজ হাদীকে গু/ লি করা হলো। o S d e s p n o r t   7 6 4 l 8 M 3 m e 9   b 8 t m 2 a e a 0 1 9 u : P 5 u 1     3 9 D 5 e h h 1 t f r f 2 c g 1 4 2 m a   · Shared with Only me আপনার আমার লাসের উপর দিয়ে, অনিরাপদ পরিস্থিতি পুঁজি করে সাদিক কায়েমরা অভ্যুত্থান করবে। আলহামদুলিল্লাহ সাইফুর রূদ্র s t r o n S p o d e r g b t a 5 c 4 i h 7 : e 6 1 1 t g 9 6 2 t 7 4 e     h M f 3 P   i m 0 D 0 a 7 7 2 6 7 4 e   4 6 6 m   · Shared with Public হাদীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এবং গুলি করে হ/ত্যাচেষ্টায় যুক্ত সকলকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানাই। e r o p d o S n t s 1 M 5 g e 0 l m i b 0 D 1 5 t 2 5 a e : 0 1 r 6 P 6 a 2 f     c 5   g   6 1 h 6 a g 6 4 a 8 e 9 f t 3   · Shared with Public আমি-আপনি-আমরা... সাইফুর রূদ্র s S o p n t o ...

ইস্তফা

এক দাঁতের ঝামেলায় পরে সমস্ত জীবনীশক্তি, উদ্যম, সাহস ও আত্মবিশ্বাস হারায়া ফেলছি।এরপর থেকে যা করছি, ভবিষ্যতেও যা করব— ঠেকায় পরে করতেছি, ঠেকায় পরে করব। স্বপ্ন নিয়া আমি আর কিছু করতে পারতেছিনা, করার বৃথা উদ্যোগও নিবনা। সোলায়মান সুখনদের দেশে আর শেখ মুজিবের বাংলাদেশে বহু গাল মারা যায়। কুত্তার জীবন যাপন করার চে, ভূতের জীবন আমার মতে উত্তম। মানুষ জীবন একটাই, এটা ঠিক। কিন্তু পৃথিবীতে নাকি ৫শ কোটি মানুষ বসবাস করে। একজন মানুষ জীবনের লোভে প্যারা না নিয়া ভুতের জীবন বাইছা নিলে বেশি ক্ষতি হবেনা। এদেশে কুত্তার জীবন যাপন করবেনা বলে, এত করাপশন, এত চুতিয়াগিরি, এত মাদারসোদি। জীবন চক্রটাই আমার কুত্তার জীবন। এই জীবন চক্ররে আমি চিনতাম না, কারণ বিগত জীবন দৌড়ের উপর ছিলাম। দৌড়াইতে দৌড়াইতে আমি চিল করে গেছি। শেষ প্রেমখানি করে জীবনের স্বাদ পাইয়া নিজের জীবনের দিকে তাকায়ে দেখি দাঁত ক্ষয় হয়ে যাওয়ার মতন জীবনও ক্ষয়প্রাপ্ত। এই জীবনে অনুপযুক্ততাই শেষ কথা। গাল মেরে লাভ নাই। এইটা বিষন্নতা না। ডিফ্রেশন না। এটা হেরে যাওয়া। আমার কারো কাছে মাপ চাওয়ার নাই। একজনের কাছে আছে, সেই একজনের কাছে মাপ চাওয়াটা হবে ঔদ্ধত্যতা। কি জানি বলত...