সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অভ্যুত্থান হলো, হয়াট ইজ নেক্সট!

৫ আগস্ট, ২০২৪ ইং তারিখে পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পরে সারাদেশের ছাত্র-জনতা। সেদিন চট্টগ্রাম নিউমার্কেট মোড়ে পৌঁছে দেখি, মিষ্টি-জিলাপি সহ যে যার মতন মিষ্টিমুখ করাচ্ছে। বলাবাহুল্য আমরা যারা দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিবাদী রেজিম সম্পর্কে ধারণা রাখি, তাঁরা সকলে জানতাম এ বিজয় প্রাথমিক বিজয়।

আগামীর প্রতিটি মূহুর্ত সতর্ক পদক্ষেপ এবং সম্ভ্যাব্য সকল অস্থিতিশীলতা ঠেকিয়ে ফ্যাসিস্ট রেজিম পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জনগণ এর রাষ্ট্র-সংবিধান ও সরকার প্রতিষ্ঠা করার লড়াই শুরু হল মাত্র! একইসাথে শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়া কিংবা পদত্যাগের পর থেকেই জনগণ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করবে।

বলাবাহুল্য, নিউমার্কেট মোড়ের বিজয়ী অবস্থান সমাপ্তি ঘোষণা করাে প্রায় ২২ দিন পর নিজ বাসায় ফিরে সে রাতেও ঘুমাতে পারিনি। নানা গুজব মোকাবিলা করতে হয়েছে। পরদিন থেকে মন্দির পাহাড়া, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সমন্বয় করতে না করতে উপস্থিত হলো স্মরণকালের অন্যতম বন্যা। ফলে রাষ্ট্র সংস্কার, পরিবর্তন সংক্রান্ত আলাপ আলোচনাও অনেকখানি স্থবির হয়ে পরল। এমনকি আবেদনও হারিয়ে বৈষম্য দূরীকরণের থেকে অনেক ভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পরল।

একজন ছাত্র-তরুণ হিসাবে জুলাই অভ্যুত্থান ছাড়াও বিগত সময়ে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, পাটকল চালু করার আন্দোলন, গণপরিবহনে হাফ পাস আন্দোলন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর বিরোধী আন্দোলন-সহ দেশে কায়েম হওয়া ফ্যাসিবাদী রেজিমে গুম-খুন-বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড, বিচারিক হয়রানি ও শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-ফ্যাসিবাদ এর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংগ্রামে সংগঠক, নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছি। এ দীর্ঘ সময়ে গ্রেফতার, আটক, থানায় নিয়ে অভিভাবক হেনস্থা, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দাবাহিনীর নজরদারি এসকল বিষয় ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। ফলে রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে একধরণের লুকোচুরি সম্পর্ক কাটাতে হয়েছে তারুণ্যের এ সময়ে।

বাংলাদেশ অভ্যুত্থানের দেশ। ইতোপূর্বে এখানে আরও ৫ টি অভ্যুত্থান সংঘটিত হলেও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি। এবার কী হবে? অভ্যুত্থানের ৪০ দিন পেরিয়ে গেছে, অনাগত ভবিষ্যত এখন অনেকখানি পরিষ্কার।

তবু শেষ বলতে যেহেতু কিছু নেই; আর সংগ্রাম ই যেহেতু মানুষের ইতিহাস; সেহেতু কয়েকটি পয়েন্টে এখন কী করা দরকার বা ভবিষ্যত অভ্যুত্থান শেষে কী করতে হবে তা উল্লেখ করার চেষ্টা করছি।

সংবিধান:
আইনের ছাত্র হিসেবে ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কিত একাডেমিক ধারণা এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামের অভিজ্ঞতায় রাষ্ট্র-যন্ত্রের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক চরিত্র জ্ঞাত থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রথম ও প্রধান শর্ত মনে করি— নতুন সংবিধান প্রণয়নপূর্বক বাংলাদেশ রাষ্ট্রে জনগণের হিস্যা প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিকভাবে সকল প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করা। আইনী সংকট এবং সময় পেরিয়ে যাওয়য়য় নতুন সংবিধান প্রণয়ন সম্ভব না হলেও, প্রয়োজন মৌলিক সংস্কার! যদি এ অভ্যুত্থানের ফলে এটি না ঘটে তবে অভ্যুত্থানের চেতনা ও সংগ্রাম চূড়ান্তভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।
ইতিহাসের শিক্ষায় রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত হওয়া:
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ জয় লাভ করার পরও বাংলাদেশ কেন একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত হলো? কেন এখানে বারবার সামরিক শাসন ও স্বৈরাচার এবং শেষমেশ ফ্যাসিবাদ ঝেঁকে বসলো? কেন বারবার রক্ত ঝড়িয়েই গণতন্ত্র উদ্ধারের সংগ্রাম করতে হয় এদেশের জনগণকে। জনগণের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার কেন শুধুমাত্র ভোটাধিকারে সীমাবদ্ধ হয়ে রইলো!
ইতিহাস চর্চার মাধ্যমে প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে সমাধান বের করতে হবে আমাদের। রাষ্ট্র সম্পর্কে এবং আমাদের পরিপূর্ণ ইতিহাসের সম্ভাব্য সকল স্কুল (School of Thought) এর জ্ঞান ও ধারণা নিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সকল সংকট-সমস্যার উত্তরণের পথ খুঁজে বের করে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত হতে হবে। বলাবাহুল্য এ দায়িত্ব পালন করতে হবে ছাত্র-তরুণ জনতাকেই। প্রাথমিকভাবে এ কাজটি শুরু হতে পারে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিপূর্ণ পাঠাগার নির্মাণ, পাঠ অভ্যাস এবং বিচার বিশ্লেষণী ক্ষমতা অর্জনের মধ্য দিয়ে।

রাজনৈতিক সংস্কার:
এদেশের রাজনীতিতে অভ্যন্তরীনভাবে সকল রাজনৈতিক দলে বিপুল সংস্কার করতে হবে। সংস্কারের কাজটি শুরু হতে পারে— শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ কার্যকর ও প্রতিবছর ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। প্রতিটি দলকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে মাদার পার্টি ও অঙ্গসংগঠনসমূহে নেতৃত্ব বিকাশের পরিবেশ তৈরী করতে হবে। এছাড়া রাজনীতিতে মাঠে ময়দানে পেশি শক্তি প্রয়োগ এর পথের বদলে চিন্তার রাজনীতি বিকাশের পথে হাঁটতে হবে।

নদী ও কৃষি:
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— নদীমার্তৃক ও কৃষি প্রধান বাংলাদেশে নদীসমূহ রক্ষা এবং কৃৃষিতে সমৃদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। এই দুটো কাজ যেকোন মূল্যেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে করতে হবে। সর্বস্তরের জনগণকেও এর জন্য সোচ্ছার হতে হবে। ফরেন পলিসি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি ও ফিন্যান্সিয়াল পলিসি এ দুটো বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করতে হবে।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামো বিনির্মাণ:
এসকল জটিল কাজ সম্পন্ন করতে সামাজিক কাঠামো ও সম্পর্কগুলো বিনির্মাণ করতে হবে এবং তজ্জন্যে সামাজিক সংস্কৃতিগত দিক দিয়ে আমাদের পেছনে ফিরে যাওয়ার বিকল্প নেই। এদেশের পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয়, গুরু-শিষ্য সম্পর্ক উদ্ধার এবং পুনঃনির্মাণ করতে হবে। নয়ত সামাজিক অবক্ষয় ঠেকানো সম্ভব হবেনা। সমাজের ভেতরে পরমতসহিষ্ণুতা, বৈচিত্রময়তার স্বীকৃতি দেয়ার পরিবেশ তৈরী করতে দল-মত-সংস্কৃতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ নির্বিশেষে ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে হবে। মনে রাখতে হবে, সমাজ ভেঙ্গে পরলে রাষ্ট্র ভেঙ্গে পরতে কিংবা গণবিরোধী হয়ে উঠতে বাধ্য। অন্যায়-অনাচার-বৈষম্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা সমাজে ভর দিয়ে কোনদিন জনগণের রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব হবে না।

আমাদের জীবন-রক্ত-ঘাম-জীবনের ঝুঁকির উপর ভর করে যে অভ্যুত্থান হলো, সেই অভ্যুত্থান আমাদের সকল আশা ভরসা স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেনা। স্বপ্ন ভঙ্গের মূহুর্তে হতাশ হলেও চলবেনা। এই বাংলাদেশ গণঅভ্যুত্থানের দেশ। সমস্যা হলো, প্রতিটি অভ্যুত্থানের পর জনতা ঘুমিয়ে পরে, অসতর্ক হয়ে উঠে এবং একদল লুটেরা দেশকে ভোগ-বিলাসের রণক্ষেত্রে পরিণত করে। আমরা যারা এই অভ্যুত্থানের অন্যতম অংশীদার, তারা বয়সের দিক থেকে যেহতু তরুণ! সেহেতু তরুণদের ঘুমিয়ে পরলে বা অসচেতন হলে চলবে না। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেয়া যাবেনা। আমাদের নিজেদের এবং পরিবার, সমাজ ও এই রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে। যে দ্বিতীয় জীবন আমরা পেলাম সেই জীবন যেন কোন প্রলোভনেই কলুষিত না হয়!
অভ্যুত্থানের দিনগুলোতে অভ্যন্তরীন মিটিংগুলোতে আমি আমার বক্তব্য শেষ করতাম, 'ছাত্র-জনতা জয়ী হবে' এই উচ্চারণ করে। এই লেখা শেষ করছি— 'বাংলাদেশ জয়ী হবে' উচ্চারণ করে।
লিখন সময়: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

এই লেখাটি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ সাপ্তাহিক আলোকিত সন্দ্বীপ পত্রিকার ২০২৪ সেপ্টেম্বর সংখ্যায় ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান কর্ণার এ প্রকাশিত।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর “মার্চ ফর জাস্টিস” কর্মসূচীতে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এর দোয়েল চত্ত্বরে 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জুলাইয়ের চে-ময়ী জার্নির এ কেমন পরিণতি!

জুলাইয়ে দল-মত নির্বেশেষে ছাত্র-তরুণদের যে ঐক্য সংঘটিত হয়েছিল, সেই ঐক্য কোন অংক কষে হয়নি। ঐক্য প্রসঙ্গে বদরুদ্দীন উমর বলছিলেন, লড়াই করতে করতে ঐক্য হয়। ফলে— তরুণদের মধ্যে সংগঠিত ঐক্যে চে'র  ' Motherland or Death ’  থেকে কল্পনা চাকমা’র   " Everything that is experimented on the Hills, will be implemented on the plain lands "   প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠে। এই প্রাসঙ্গিকতা সহজত ভাবেই বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীর আগামীদিনের জন্য বিপদজনক। দেশের ছাত্র-তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, সহ-নাগরিকদের প্রতি সহমর্মী-সমব্যাথী হয়; জন্মভূমি প্রশ্নে আপোষের বদলে সংগ্রাম, প্রয়োজনে মৃত্যুকে বাছাই করতে দ্বিধা না করে— দেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বেগম পাড়া, ব্যাংক পাড়া কী ভাবে সম্ভব হবে? ভারত/ আমেরিকার তাবেদারি করে কিভাবে একের পর এক দেশ বিরোধী চুক্তি সম্পাদিত হবে? কিভাবে ক্ষমতায় থাকার শেকড় পোক্ত করতে দেশ বিদেশে যা তা সম্ভব হবে! কিভাবে বাজার সিন্ডিকেট রেখে জনজীবন নাস্তানাবুদ করে ফেলা যাবে! ফলে এই ঐক্য ভেঙ্গে দিতে হবে, এই যুদ্ধংদেহী তরুণদের সমস্ত স্বপ্ন আকাঙ্খা ভেঙ্গেচুরে ফেলতে হবে। তাতেও ঝামেলা আছে। লড়াইয়ের ধর...

এনে দিবো অপার স্বাধীনতা

অনেক প্রতিশ্রুতি পাওয়া জীবনে রয়েছে বেখাপ্পা ছেনাল ছাগলের ভীষণ যন্ত্রণা, ছাগলে খাওয়া গাছের আগা নাকি আর বাড়েনা! প্রতিশ্রুতিগুলাও তাই ছাগলের মুখেই শেষ, আমি তাই আর বিশ্বাস করিনা আমি তাই আর কতৃপক্ষে বিচার চাইনা আমি তাই আর ঘুমাতে পারিনা। গত সব শব প্রতিশ্রুতির ভঙ্গুরতা আমাকে ঘুমাতে দেয়নি! এই ভেবোনা; আমার বরং ঘুম হয়নি একটা পথের খোঁজে। একটা পথ খুঁজছি আমি, যে পথে হেঁটে গেলে কবিতার কিতাব হাতে চোখে লাল রঙের চশমায় পায়ে গত বর্ষায় টিকে যাওয়া আধছেঁড়া স্যান্ডেলে মৌন কোনো মিছিল সমেত, অথবা কবিতার গুঞ্জন কন্ঠে... আমি তুমি আমরা সবাই! খুঁজে পাবো স্বস্তি খুঁজে পাবো রাত ঘুম ফিরে পাবো দুপুরের ভাত ঘুম আর অপার স্বাধীনতা। মোরগডাকা ভোর শুনতে পাবো আবারো আরো একবার এই নগরীর প্রত্যেকটা স্বার্থপর দেয়াল খসে গিয়ে!! সেইরকম একটি পথের খোঁজে আমি ঘুমাতে পারিনি। আমার লাল চউখে ভয় পেয়োনা প্রিয়তমা এই চউখ তোমাকে এনে দিতে চায় অপার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চায় কথা বলার মত প্রকাশের অধিকার; দ্যাখো একদিন তোমারে মাঝ রাতের ঘুমে রেখে নির্ঘুম আমি — হেঁটে হেঁটে চলে যাবো বহুদূর তারপর সমস্ত হাঁটা পথ শেষে বিজয়ী আমি তোমাকে শুনাতে গল্পকথা আবার ফিরে...

শরীফ ওসমান হাদী ও আমার টাইমলাইন

o S d e s p n o r t   7 6 4 l 6 M 3 m e 9   b 8 t m 2 a e a 0 1 9 u : P 5 u 1     3 9 D 5 e h h 1 t f r f 2 c g 1 4 1 m a   · Shared with Only me গতকাল তফসিল ঘোষণার পর ছাত্রলীগ ঢাকায় মশাল মিছিল করেছে। আজ হাদীকে গু/ লি করা হলো। o S d e s p n o r t   7 6 4 l 8 M 3 m e 9   b 8 t m 2 a e a 0 1 9 u : P 5 u 1     3 9 D 5 e h h 1 t f r f 2 c g 1 4 2 m a   · Shared with Only me আপনার আমার লাসের উপর দিয়ে, অনিরাপদ পরিস্থিতি পুঁজি করে সাদিক কায়েমরা অভ্যুত্থান করবে। আলহামদুলিল্লাহ সাইফুর রূদ্র s t r o n S p o d e r g b t a 5 c 4 i h 7 : e 6 1 1 t g 9 6 2 t 7 4 e     h M f 3 P   i m 0 D 0 a 7 7 2 6 7 4 e   4 6 6 m   · Shared with Public হাদীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এবং গুলি করে হ/ত্যাচেষ্টায় যুক্ত সকলকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানাই। e r o p d o S n t s 1 M 5 g e 0 l m i b 0 D 1 5 t 2 5 a e : 0 1 r 6 P 6 a 2 f     c 5   g   6 1 h 6 a g 6 4 a 8 e 9 f t 3   · Shared with Public আমি-আপনি-আমরা... সাইফুর রূদ্র s S o p n t o ...