সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শিরোনামহীন

তুমি কি ছিলে? সেটা আসলে বলা সম্ভব না, একটা আকাশ ছিলে হয়তবা। তুমি কি ছিলে আমার... এটা আমায় জিজ্ঞাস করোনা আমি আসলে আমাকেই জানিনা। যে আমি ঘুরতে ঘুরতে ভুলে যাই কথা ভুলে যাই আমার ব...

শিরোনামহীন

ঐ চোখে কি করে তাকাই বল; সিঁদুরে হয়ে গেছো যে রক্তিম মায়াবতী  তোমাতে আমি পাইনা খুঁজে তুমি। কুমার নই বলে কুমারীতে আমার আক্ষেপ নেই নেই বলতে নেই যা থাকার ছিলো তাও; নিষিদ্ধ হয়ে গেছে কি নুপুর পরাও! বইতে অমন বলো কি দেখছো লেখা - ছন্দ - রস - কস - জীবন নাকি এড়িয়ে যাচ্ছো তুমি তোমারে। এ্যাঁই আয় ভুল  করে ভুল করে বসি সিঁদুর মুছে রক্ত রক্ত খেলি খামছিতে তুলে নে আমার প্রেমিক চোখ; ভালোবাসা ভুলে আমি নিজেকেও ভুলি। 

শপথ নিলাম — কোন ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধুর সাথেও এডাল্ট ফান করবনা

ঠিক কবে নারী ও শিশুদের জন্য আমরা একটা নিরাপদ পৃথিবী দিতে পারব! আমি ঠিক ভালো মানুষ নই। কেউ ভালো বললে একসময় রোমাঞ্চবোধ করতাম, এখন নিজের দিকে তাকাই, ঘৃণা বোধ করি। তবু, নারী ও শিশু এবং সর্বোপরি সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পৃথিবীর প্রতি আমার আগ্রহ ইচ্ছা প্রবল। বিশ্বাস করি, একদিন ঠিক এই পৃথিবীটা বদলে যাবে। সেদিন বেঁচে থাকবনা। কারণ এ সময়টা এখনো অনেক দূরে। এখন মেয়েরাও মেয়েদের টিজ করতে পছন্দ করে। আগে নারীরা লাঞ্চিত হয়। তারপর নারীরা দুর্গ গড়ে তুলে আপনায়। তখন ব্যক্তি নারী নিরাপদ হয়ে উঠে। ব্যক্তি নারী নিরাপদ হয়ে গেলে শিশুদের প্রতিই আক্রমণটা ঘটে যায়। প্রত্যেকটা ছোট ছোট হ্যাংলামো, মজা, কৌতুক - একদিন নিরাপদ নিরালায় ওড়না টানাটানি তে গড়ায়। আর সুযোগ মিললে - এনজয় উইদ কনসেন্ট; এই কনসেন্ট বা সম্মতি কি সত্যিই পরিপূর্ণ সম্মতি? আমার ত্ মনে হয়না। আর সুযোগ না মিললে - হোটেল, গণিকালয়। তাও না মিললে ধর্ষণ, চাইল্ড এবিউজ। আজকের দিনে একটা শপথ নিলাম — কোন ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধুর সাথেও এডাল্ট ফান করবনা। এমন স্রোতে গা ভাসালে একদিন আমার মেয়েকে, স্ত্রীকে, প্রেমিকাকেও চোখের জলে বিদায় বলতে হবে।

নির্বাচন পরবর্তী বিবৃতি — জয়তু অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান

নব্য নির্বাচনী ট্রেন্ডের কাছে জয় পরাজয় কিছুই নয় পরিচ্ছন বিশেষণের কাছে। রাজনীতিবিদ হিসেবে - সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে জনগণকে নিজের কাছে টেনে নেয়ায় যে জয় লিখিত হয়! জনসম্মুখে প্রবল উচ্ছ্বাসে একজন ভোটারের পুরুষালি বক্তব্য — ভোট টা আপনাকেই দিয়েছি ' তে যে জয় লিখিত হয়! আমি সেই জয়ের কথা বলেছি একাত্তরে সেই জয়ের কথা বলছি আজ দু'হাজার'ঊনিশে; সব শব হয়ে যাওয়ার গল্প জেনেও আমি বলছি জয় বাংলা - জয় বাংলা - জয় বাংলা জয়তু অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান।।

নয় শতাধিক বিরহিত রজনী

তারপর বহুদিন পরে, তোমার সাথে আমার দেখা হবে ভাবনার দেয়াল ছুঁয়ে আমার তোমার সাথে আমার কথা হবে, কোনো এক ডিভোর্সি'র নয়নে। তুমি ডিভোর্সী না হও, লিখে রাখো..... এতটুকু ক্ষত নিয়ে তুমি র...

জলপাই রঙের শকুন ও বাংলাদেশ

রাষ্ট্রীয় বেশ্যাবৃত্তিতে কেউ টের পায়না স্তনে হাত বিদেশী মাফিয়ার বৃন্ত নামক স্পর্শকাতর অংশটুকু খাবলে খাওয়া হয়ে গেলে কালো হাত খুঁজে ফিরে সঙ্গমস্থান। একাত্তরের সময় জুড়ে যেভাবে দ্বিধাবিভক্তির প্রেমগল্পে জন্ম নেওয়া সন্তানদের গাড়িতে দেশের পতাকা এদেশে এখনো রাত নামলে দেখা যায়, এভাবেই একেকটা নারী শরীর দখল হয়ে যায়, দখল হয়ে যায় আমার প্রেমিকা আমার বান্ধবী শেষমেশ আমার বুড়ো মা টাও। অর্গাজমই নাকি শেষ কথা! অথচ প্রেমিকের বুক ঝাঁঝড়া হয়ে গেল মাদকতায়। একটুও কি বুক কাঁপেনা প্রিয় প্রেমিকা একটুও কি বুঝতে পারোনা ওরা ভালোবাসে ধর্ষণ ভালোবাসে রক্ত ভালোবাসে তেল গ্যাস আর বানিজ্যিক অঞ্চল, যখন তুমি আর তুমি থাকবেনা ওরা উড়ে যাবে জলপাই রঙের শকুন হয়ে যেভাবে ওরা আসে……………………………।। সাইফুর রহমান খান চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়নরত

আমরা যাদেরই ভালোবাসি

মানুষ হয়ে যাদের সাথে ঘরের স্বপ্ন ঠিক যারাই বুনেছে পৈশাচিক আনন্দে ফিলিঙ্গসের গল্পে চুন কালি মেখে মনের ঘরে রাণী হয়ে করেছে সবাই ঘরছাড়া; আমিও তাদের সঙ্গী আর তুমি পুরোনো দেব...